ডিসক্লেইমারএই লেখাটি জীবনদর্শন ও ব্যক্তিগত উপলব্ধির ভিত্তিতে রচিত।এটি সুযোগ, সহায়তা বা সামাজিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করে না।তবে এই লেখার মূল বক্তব্য হলো—মানুষের মর্যাদা ও অস্তিত্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি তার নিজের কর্ম।কীওয়ার্ডকর্মফল দর্শন, ভাগ্য বনাম পরিশ্রম, আত্মনির্ভরতা, জীবনদর্শন, নিজের চেষ্টায় বাঁচা, মানবিক শক্তিহ্যাশট্যাগ#কর্মইপরিচয়#ভাগ্যেরদানে নয়#নিজেরচেষ্টায়#জীবনদর্শন#আত্মসম্মান#মানবিকশক্তি
শিরোনাম ভাগ্যের দানে নয় কবিতা তোমার ভাগ্যের সঙ্গে আমায় তুলো না, আমি সুযোগে গড়ে উঠিনি। যেখানে কেউ পাশে দাঁড়ায়নি, সেখানেই নিজেকে চিনেছি আমি। আমার শ্বাস কোনো কৃপায় নয়, কোনো পূর্বলিখিত দানে নয়। নিজের হাতে গড়া পথে হাঁটি, আমি বেঁচে আছি নিজের কাজে। ভাগ্যের কাছে ঋণ নেই আমার, অহংকারও ধার করা নয়। নিজের কর্মেই দাঁড়িয়ে আছি, এই জীবন—আমারই পরিচয়। বিশ্লেষণ ও দর্শন এই কবিতার মূল দর্শন হলো কর্মনির্ভর অস্তিত্ব। এটি তিনটি বিষয়কে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে— ১. ভাগ্যের ঊর্ধ্বে কর্ম কবিতাটি ভাগ্যের অস্তিত্ব অস্বীকার করে না, কিন্তু ভাগ্যকে জীবনের একমাত্র নির্ধারক হিসেবেও মানে না। এখানে কর্মই মানুষের পরিচয়। ২. দায়িত্ববোধ ও আত্মনির্ভরতা মানুষ নিজের জীবন নিজেই গড়ে তোলে—এই ভাবনাই কবিতার কেন্দ্রবিন্দু। পরিস্থিতি নয়, প্রতিক্রিয়াই মানুষকে সংজ্ঞায়িত করে। ৩. নীরব আত্মসম্মান এখানে উচ্চস্বরে গর্ব নেই, আছে শান্ত আত্মবিশ্বাস। নিজের লড়াই নিজে লড়ে বেঁচে থাকার একটি সংযত অহংকার। এই দর্শন ভারতীয় কর্মফল তত্ত্ব ও আধুনিক আত্মদায়িত্ববাদের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ব্লগ ভাগ্যের সঙ্গে আমাকে তুলো না — আমি বে...