প্রজাতন্ত্র দিবসের অশ্রু: লেখা ও অলিখিত আত্মত্যাগবাংলা ব্লগ – পর্ব ৪ (চূড়ান্ত)একটি জাতির শক্তি তার স্মৃতিতেএকটি জাতি কেবল আইন লিখে বা দিবস উদ্যাপন করে শক্তিশালী হয় না। জাতি শক্তিশালী হয় সততার সঙ্গে স্মরণ করার ক্ষমতায়।প্রজাতন্ত্র দিবস শুধু সংবিধান গ্রহণের দিন নয়; এটি একটি প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতা—এই প্রতিশ্রুতি যে স্বাধীনতাকে হালকাভাবে নেওয়া হবে না, ত্যাগকে তুচ্ছ করা হবে না, আর নীরবতা দিয়ে সত্য মুছে ফেলা হবে না।
প্রজাতন্ত্র দিবসের অশ্রু: লেখা ও অলিখিত আত্মত্যাগ বাংলা ব্লগ – পর্ব ৪ (চূড়ান্ত) একটি জাতির শক্তি তার স্মৃতিতে একটি জাতি কেবল আইন লিখে বা দিবস উদ্যাপন করে শক্তিশালী হয় না। জাতি শক্তিশালী হয় সততার সঙ্গে স্মরণ করার ক্ষমতায়। প্রজাতন্ত্র দিবস শুধু সংবিধান গ্রহণের দিন নয়; এটি একটি প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতা—এই প্রতিশ্রুতি যে স্বাধীনতাকে হালকাভাবে নেওয়া হবে না, ত্যাগকে তুচ্ছ করা হবে না, আর নীরবতা দিয়ে সত্য মুছে ফেলা হবে না। যখন আমরা শুধু নথিভুক্ত ইতিহাস স্মরণ করি, ইতিহাস কাগজে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। আর যখন আমরা স্মৃতি, বিবেক ও নৈতিকতা স্মরণ করি—ইতিহাস মানবিক হয়ে ওঠে। অলিখিত জীবনগুলোর নৈতিক ভার মুন্সী আমিরউদ্দিন—একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী, কবি ও গল্পকার—হয়তো কোনো সরকারি নথিতে নেই। তাঁর কারাবরণের কথা হয়তো কোনো আর্কাইভে পাওয়া যাবে না। তাঁর লেখা কবিতা হয়তো আর উদ্ধার করা সম্ভব নয়। তবু তাঁর জীবন নৈতিক ভার বহন করে। ইতিহাস প্রমাণ চায়। বিবেক চায় সততা। ভারতের ইতিহাসে অসংখ্য মুন্সী আমিরউদ্দিন আছেন—যাঁরা ঝুঁকি নিয়েছেন, যন্ত্রণা সহ্য করেছেন, আর স্বাধীনতার পর নীরবে হারিয়ে গেছেন। একটি প্রজাতন্ত্রের পক্ষে...