বাংলা ব্লগ – পার্ট ২মানচিত্র ছাড়া বেঁচে থাকাদেশ হারানোর পর জীবন থেমে যায় না—কিন্তু মানচিত্র হারিয়ে যায়।যে চিহ্নগুলো একসময় পথ দেখাত, সেগুলো মুছে যায়।উৎসব আসে, আনন্দ আসে না।জাতীয় দিবস আসে, কিন্তু কোনো অর্থ নিয়ে আসে না।এমনকি শোকও যেন অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়,কারণ সেই শোক ভাগ করে নেওয়ার মতো আর কোনো যৌথ ভাষা থাকে না।
বাংলা ব্লগ – পার্ট ২ মানচিত্র ছাড়া বেঁচে থাকা দেশ হারানোর পর জীবন থেমে যায় না— কিন্তু মানচিত্র হারিয়ে যায়। যে চিহ্নগুলো একসময় পথ দেখাত, সেগুলো মুছে যায়। উৎসব আসে, আনন্দ আসে না। জাতীয় দিবস আসে, কিন্তু কোনো অর্থ নিয়ে আসে না। এমনকি শোকও যেন অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়, কারণ সেই শোক ভাগ করে নেওয়ার মতো আর কোনো যৌথ ভাষা থাকে না। মানুষ তখন সাবধানে বাঁচে— যেন অস্তিত্বটাই শর্তসাপেক্ষ। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া নীরবতা দেশ হারানোর সবচেয়ে গভীর প্রভাব পড়ে পরবর্তী প্রজন্মে। শিশুরা বড় হয় এমন এক ক্ষতির অনুভূতি নিয়ে, যার কোনো স্পষ্ট নাম তারা জানে না। তারা পায় স্মৃতি ছাড়া নস্টালজিয়া, ইতিহাস ছাড়া দুঃখ। বাবা-মায়েরা অতীতের কথা বলেন টুকরো টুকরো করে— অসম্পূর্ণ বাক্যে, হঠাৎ থেমে যাওয়া গল্পে, দীর্ঘ নীরবতায়। এইভাবেই ক্ষতি হয়ে ওঠে প্রজন্মগত। আশ্রয় ও বোঝা—স্মৃতি স্মৃতি এক অদ্ভুত আশ্রয়। একদিকে সে শান্তি দেয়, অন্যদিকে সে বন্দি করে রাখে। মানুষ বারবার ফিরে যায় সেই সময়ে, যখন নিজেকে প্রমাণ করতে হতো না, যখন ভাষা ছিল স্বাভাবিক, যখন বেঁচে থাকাটাই ছিল বৈধ। কিন্তু বর্তমান যখন মানুষকে গ্রহণ করে ...