অনেকেই ঈশ্বরের বিচারকে ভয় পায় না।কারণ ঈশ্বর ন্যায়পরায়ণ।তিনি উদ্দেশ্য দেখেন, হৃদয় দেখেন, যন্ত্রণা দেখেন।কিন্তু মানুষের অভিযোগ?সেটি হৃদয়ের ওপর এমনভাবে আঘাত করেযা কোনো ঈশ্বরীয় শাস্তির থেকেও বেশি তীক্ষ্ণ।এই ব্লগটি শুধুই ভয় নিয়ে লেখা নয়।এটি লেখা—মানুষের বিবেকলুকিয়ে থাকা সত্য
**🌑 শিরোনাম: “সত্যের ভিতরের ভয় — অভিযোগ, বিবেক ও মানুষত্বের গভীরতা”** --- 🌿 মূল কবিতা (বাংলা সংস্করণ) “সত্যের ভিতরের ভয়” আমি ভয় পাই না প্রলয়ের দিন, না ঈশ্বরের আগুন, না বিচারের ঋণ। কিন্তু বুকের ভেতর কাঁপন ধরে— যে অভিযোগ আমি পূরণ করিনি তরে। সত্যটা কোথায় লুকিয়ে থাকে? লজ্জার নিচে কোন ব্যথা জাগে? আয়না কি শুধু কঠিন রূপ? নাকি অশ্রুর পেছনে লুকোনো প্রতিরূপ? আকাশের শেষকে আমি ভয় করি না, ভয় পাই প্রিয়জনের নীরব সোনা। যে কথা বলে না, কিন্তু পোড়ায় ভিতর, যে ক্ষত মুছে যায় না কোনোদিন পর। তাই বলো সত্য কী? কোথায় তার ধ্বনি? ছায়া? আর্তনাদ? না নীরব বাণী? ভেতরে খুঁজি, বাইরে খুঁজি বারংবার— সত্য মানে আমরাই—যেমন আছি আর। --- ⭐ ভূমিকা (ব্লগের সূচনা) মানুষের ভয় দুই রকম। একটি ভয় আকাশের দিকে— বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, কেয়ামত, বিচার—এসব বিশালতার ভয়। আরেকটি ভয় একেবারে ছোট, নীরব, কিন্তু আরও গভীর— অভিযোগের ভয়। যে অভিযোগ আমরা শুনিনি, বা শুনেও মানিনি, বা বুঝিনি… অথবা বুঝে-ও কিছু করতে পারিনি। অনেকেই ঈশ্বরের বিচারকে ভয় পায় না। কারণ ঈশ্বর ন্যায়পরায়ণ। তিনি উদ্দেশ্য দেখেন, হৃদয় দেখেন, যন্ত্রণা দেখেন। কিন্তু মানুষের অভিযোগ? স...