ফাইনাল পার্ট (Bengali Version – Part 3 | Final)।এটি পার্ট ১ ও পার্ট ২–এর স্বাভাবিক সমাপ্তি, যেখানে নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, সীমাবদ্ধতার স্বীকৃতি, দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্ব এবং চূড়ান্ত উপসংহার তুলে ধরা হয়েছে।ফোকাস আগের মতোই: Facebook একটি প্ল্যাটফর্ম/কোম্পানি হিসেবে।
ফাইনাল পার্ট (Bengali Version – Part 3 | Final)। এটি পার্ট ১ ও পার্ট ২–এর স্বাভাবিক সমাপ্তি, যেখানে নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, সীমাবদ্ধতার স্বীকৃতি, দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্ব এবং চূড়ান্ত উপসংহার তুলে ধরা হয়েছে। ফোকাস আগের মতোই: Facebook একটি প্ল্যাটফর্ম/কোম্পানি হিসেবে। একটি বৈশ্বিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে Facebook-এর উপকারিতা পার্ট ৩: নৈতিকতা, সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘমেয়াদি তাৎপর্য (Final) ২১. বৈশ্বিক পরিসরে নৈতিক দায়িত্ব যে প্ল্যাটফর্মে কোটি কোটি মানুষ যুক্ত, সেখানে নৈতিক দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই বড় হয়ে ওঠে। Facebook আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে এটি— ডিজিটাল আচরণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে অনলাইন বক্তব্যের মধ্যস্থতা করে বৃহৎ কমিউনিটির ভারসাম্য রক্ষা করে এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে চ্যালেঞ্জ আসে, তা Facebook-এর দুর্বলতা নয়—বরং তার প্রাতিষ্ঠানিক পরিণত হওয়ার প্রমাণ। ২২. মুক্ত প্রকাশ ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য Facebook কোনো একমুখী গণমাধ্যম নয়; এটি একটি আলোচনামূলক পরিসর। এখানে সুবিধা হলো— মুক্ত অংশগ্রহণ বহুমাত্রিক মতামত বিকেন্দ্রীভূত কণ্ঠস্বর একই সঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষা জরুরি। এই ভারসা...