বাংলাদেশি নাগরিক কর্তৃক ভারতীয় নাগরিককে প্রদত্ত “পাওয়ার নামা (Power of Attorney)”এই লেখাটি আইনি-তথ্যমূলক, নিরপেক্ষ, এবং ব্লগ/ওয়েবসাইটে প্রকাশের উপযোগী। এতে রয়েছে ভূমিকা, বিস্তারিত ব্যাখ্যা, ঝুঁকি-সতর্কতা, উপসংহার, ডিসক্লেইমার, কীওয়ার্ড, হ্যাশট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশন ও মেটা লেবেল।পাওয়ার নামা: বাংলাদেশি নাগরিক কর্তৃক ভারতীয় নাগরিককে প্রদত্ত আইনি ক্ষমতাভূমিকাভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, পারিবারিক এবং সম্পত্তিগত সম্পর্ক বহু পুরোনো। দেশভাগ, অভিবাসন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমিজমা এবং পারিবারিক সম্পত্তির কারণে
বাংলাদেশি নাগরিক কর্তৃক ভারতীয় নাগরিককে প্রদত্ত “পাওয়ার নামা (Power of Attorney)” এই লেখাটি আইনি-তথ্যমূলক, নিরপেক্ষ, এবং ব্লগ/ওয়েবসাইটে প্রকাশের উপযোগী। এতে রয়েছে ভূমিকা, বিস্তারিত ব্যাখ্যা, ঝুঁকি-সতর্কতা, উপসংহার, ডিসক্লেইমার, কীওয়ার্ড, হ্যাশট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশন ও মেটা লেবেল। পাওয়ার নামা: বাংলাদেশি নাগরিক কর্তৃক ভারতীয় নাগরিককে প্রদত্ত আইনি ক্ষমতা ভূমিকা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, পারিবারিক এবং সম্পত্তিগত সম্পর্ক বহু পুরোনো। দেশভাগ, অভিবাসন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমিজমা এবং পারিবারিক সম্পত্তির কারণে আজও বহু বাংলাদেশি নাগরিকের স্বার্থ ও দাবি ভারতের ভেতরে বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল হলো পাওয়ার নামা। সাধারণ ভাষায় পাওয়ার নামা বলতে বোঝানো হয় Power of Attorney—অর্থাৎ এমন একটি লিখিত আইনি দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য একজনকে তার পক্ষে নির্দিষ্ট কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করেন। যখন একজন বাংলাদেশি নাগরিক কোনো ভারতীয় নাগরিককে এই ক্ষমতা দেন, তখন বিষয়টি হয়ে ওঠে একটি আন্তঃদেশীয় আইনি সম্পর্ক, যা বিশেষ সতর্কতা ও সঠিক প্রক্রিয়...