ভায়াগ্রা না থাকলে প্রাচীন রাজা–সম্রাটরা কীভাবে বহু স্ত্রীর সাথে যৌনজীবন পরিচালনা করতেন?ইতিহাস, জীববিজ্ঞান ও একটি প্রচলিত মিথের বাস্তব বিশ্লেষণভূমিকাঅনেকের মনে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন আসে—“যখন ভায়াগ্রা বা আধুনিক ওষুধ ছিল না, তখন প্রাচীন রাজা–সম্রাটরা কীভাবে এতগুলো স্ত্রীর সাথে যৌনজীবন সামলাতেন?”এই প্রশ্নটি শুনতে যুক্তিসঙ্গত মনে হলেও, এটি আসলে আধুনিক চিন্তাধারা দিয়ে প্রাচীন সমাজকে বিচার করার ফল।এই প্রশ্নের ভিতরেই একটি ভুল ধারণা লুকিয়ে আছে—যে বহু স্ত্রী মানেই অতিমানবীয় যৌনক্ষমতা।
ভায়াগ্রা না থাকলে প্রাচীন রাজা–সম্রাটরা কীভাবে বহু স্ত্রীর সাথে যৌনজীবন পরিচালনা করতেন? ইতিহাস, জীববিজ্ঞান ও একটি প্রচলিত মিথের বাস্তব বিশ্লেষণ ভূমিকা অনেকের মনে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন আসে— “যখন ভায়াগ্রা বা আধুনিক ওষুধ ছিল না, তখন প্রাচীন রাজা–সম্রাটরা কীভাবে এতগুলো স্ত্রীর সাথে যৌনজীবন সামলাতেন?” এই প্রশ্নটি শুনতে যুক্তিসঙ্গত মনে হলেও, এটি আসলে আধুনিক চিন্তাধারা দিয়ে প্রাচীন সমাজকে বিচার করার ফল। এই প্রশ্নের ভিতরেই একটি ভুল ধারণা লুকিয়ে আছে—যে বহু স্ত্রী মানেই অতিমানবীয় যৌনক্ষমতা। এই ব্লগে আমরা ইতিহাস, সমাজব্যবস্থা ও জীববিজ্ঞানের আলোকে বিষয়টি শান্তভাবে ব্যাখ্যা করব। প্রথম ভুল ধারণা: বহু স্ত্রী মানেই প্রতিদিন যৌন সম্পর্ক আজকের দিনে আমরা ধরে নিই— যদি কারো অনেক স্ত্রী থাকে তবে তাকে সবার সাথে নিয়মিত যৌনসম্পর্ক রাখতে হয় 👉 প্রাচীন যুগে বিষয়টি এমন ছিল না। ঐতিহাসিক বাস্তবতা প্রাচীন রাজদরবারে— স্ত্রীরা আলাদা আলাদা প্রাসাদ বা মহলে থাকতেন সকল স্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক ছিল না অনেক বিয়ে ছিল রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক হারেম ছিল ক্ষমতার প্রতীক, যৌন রুটিন নয় অর্থাৎ— স্ত্রীর সংখ্যা ≠ য...