ইতিহাসের বিস্মৃতি এবং নৈতিক সত্যইতিহাসকে আমরা প্রায়ই ন্যায়বান বিচারক বলে কল্পনা করি। বাস্তবে ইতিহাস খুবই নির্বাচনী, রাজনৈতিক এবং প্রায়ই বিস্মৃতিপরায়ণ। বহু মানুষের ত্যাগ, শ্রম ও সাহস সময়ের স্রোতে চাপা পড়ে যায়—কারণ তারা ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন না, অথবা তাদের কণ্ঠস্বর তখন জনপ্রিয় ছিল না।আমার নিজের পারিবারিক ইতিহাসেই এর একটি উদাহরণ রয়েছে। আমার মায়ের দাদু—মুন্সি বা মৌলানা আমিরুদ্দিন—ছিলেন কবি, লেখক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। স্বাধীনতার সংগ্রামে
ইতিহাসের বিস্মৃতি এবং নৈতিক সত্য ইতিহাসকে আমরা প্রায়ই ন্যায়বান বিচারক বলে কল্পনা করি। বাস্তবে ইতিহাস খুবই নির্বাচনী, রাজনৈতিক এবং প্রায়ই বিস্মৃতিপরায়ণ। বহু মানুষের ত্যাগ, শ্রম ও সাহস সময়ের স্রোতে চাপা পড়ে যায়—কারণ তারা ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন না, অথবা তাদের কণ্ঠস্বর তখন জনপ্রিয় ছিল না। আমার নিজের পারিবারিক ইতিহাসেই এর একটি উদাহরণ রয়েছে। আমার মায়ের দাদু—মুন্সি বা মৌলানা আমিরুদ্দিন—ছিলেন কবি, লেখক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল। অথচ আজ তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় অনুপস্থিত। এই অনুপস্থিতি কি তাঁর ত্যাগকে অস্বীকার করে? না। বরং এটি প্রমাণ করে ইতিহাসের সীমাবদ্ধতা। নৈতিক সত্য ইতিহাসের স্বীকৃতির উপর নির্ভরশীল নয়। সত্য তার নিজের শক্তিতেই টিকে থাকে। কারবালা: ধর্মের সীমা ছাড়িয়ে নৈতিক অবস্থান কারবালার ঘটনা প্রায়ই একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় বৃত্তে সীমাবদ্ধ করে দেখা হয়। কিন্তু দার্শনিকভাবে কারবালা একটি সার্বজনীন নৈতিক প্রতীক। ইমাম হুসাইন ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন ক্ষমতার জন্য নয়, বরং অন্যায়কে বৈধতা দিতে অস্বীকার করার জ...