ঘোষণা (Disclaimer)এই লেখাটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ। এটি কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচার নয়। লেখাটি ইতিহাস, সামাজিক পর্যবেক্ষণ ও সাম্প্রতিক ঘটনাকে ভিত্তি করে রচিত। পাঠকদের নিজস্ব বিবেচনায় মত গঠনের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।মেটা বিবরণ (Meta Description)ধর্মীয় মেরুকরণের বাইরে বাংলার রাজনীতি ও ঐতিহাসিক ঐক্যের এক গভীর বিশ্লেষণ।কীওয়ার্ড (Keywords)বাংলার রাজনীতি, তৃণমূল ভবিষ্যৎ, সনাতন রাজনীতি, বিজেপি বাংলা, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ধর্মীয় ঐক্য, মালদা, কালিয়াচকহ্যাশট্যাগ (Hashtags)#বাংলারআত্মা#একতারবাংলা#নেতাজিসুভাষচন্দ্রবসু#ধর্মেরঊর্ধ্বে#বাঙালিত্ব#পশ্চিমবঙ্গ
Part 2 বাংলা যখন একসাথে হাঁটে: রাজনীতির বাইরে বাঙালির আত্মপরিচয় ভূমিকা আজকের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে— বলা হচ্ছে, বাঙালি হিন্দুরা ‘সনাতন’ পরিচয়ের নামে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ছাতার নিচে একত্রিত, আর মুসলমান সমাজ বিভিন্ন দলে বিভক্ত, ফলে আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় নাকি অবশ্যম্ভাবী। এই যুক্তি শুনতে বাস্তবসম্মত। সংখ্যা, সমীকরণ, ভোটের হিসাব—সব কিছুই যেন একদিকে ইঙ্গিত করে। কিন্তু বাংলার রাজনীতি কখনও শুধুমাত্র সংখ্যার অঙ্কে চলে না। এখানে রাজনীতি মানে স্মৃতি, আবেগ, ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের ভেতরের ভয়–ভরসা। ঠিক এই জায়গাতেই একটি দৃশ্য সমস্ত হিসাবকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। যে দৃশ্য প্রশ্ন তোলে গ্রামবাংলার পথে এক মিছিল— মালদার এসপি, ডিএসপি, কালিয়াচকের আইসি, উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক, সেনাবাহিনী, ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ একসাথে হাঁটছেন। কারও হাতে দলীয় পতাকা নেই। কারও মুখে রাজনৈতিক স্লোগান নেই। সবাই বহন করছেন Netaji Subhas Chandra Bose-এর ছবি। হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান— কেউ আলাদা নয়। এই দৃশ্যটি আসলে একটি প্রশ্ন ছু...