প্রায়… : না-শোনা থেকে যাওয়ার বেদনাপার্ট ২ (বাংলা সম্প্রসারণ)১০. কথা বলার ঠিক আগের মুহূর্তএকটি কথা বলার আগে যে মুহূর্তটি আসে—তা খুব নরম।সেখানে থাকে আশা।সেখানে থাকে ভয়।সেখানে থাকে বিশ্বাস।এই মুহূর্তেই মানুষ সবচেয়ে বেশি অসহায়,কারণ সে তখন নিজের ভেতরের জগত খুলে দিতে প্রস্তুত।কবিতার আসল ট্র্যাজেডি বিদায়ে নয়,বরং সেই মুহূর্তে—
প্রায়… : না-শোনা থেকে যাওয়ার বেদনা পার্ট ২ (বাংলা সম্প্রসারণ) ১০. কথা বলার ঠিক আগের মুহূর্ত একটি কথা বলার আগে যে মুহূর্তটি আসে— তা খুব নরম। সেখানে থাকে আশা। সেখানে থাকে ভয়। সেখানে থাকে বিশ্বাস। এই মুহূর্তেই মানুষ সবচেয়ে বেশি অসহায়, কারণ সে তখন নিজের ভেতরের জগত খুলে দিতে প্রস্তুত। কবিতার আসল ট্র্যাজেডি বিদায়ে নয়, বরং সেই মুহূর্তে— যখন বোঝা যায়, কেউ অপেক্ষা করছে না। ১১. কেন আমরা কথা বলার আগে থামি মানুষ কথা বলার আগে থামে কারণ— সে আঘাত দিতে চায় না সে ভুল বোঝাতে চায় না সে নিজেকে নগ্ন করতে ভয় পায় এই থামাটাই মানবিক। কিন্তু যখন সেই থামার সুযোগটুকুও দেওয়া হয় না, তখন নীরবতা আর পছন্দ থাকে না— তা হয়ে ওঠে বাধ্যবাধকতা। ১২. একসঙ্গে থেকেও একা থাকা সব একাকীত্ব নিঃসঙ্গতায় আসে না। কখনও কখনও— এক টেবিলে বসে, একই খাবার খেয়ে, একই ঘরে থেকেও মানুষ একা হয়ে যায়। এই কবিতা সেই আধুনিক একাকীত্বের কথা বলে— যেখানে মানুষ আছে, কিন্তু উপস্থিতি নেই। ১৩. আধুনিক জীবনে মনোযোগের অভাব আমরা এখন দ্রুততার পূজা করি। দ্রুত কথা। দ্রুত সিদ্ধান্ত। দ্রুত বিদায়। কিন্তু আবেগ দ্রুত হয় না। এই কবিতা সময়কে ধ...