পশ্চিমবঙ্গে লাল বালি ও সাদা বালিগুণগত পার্থক্য, ব্যবহার ও দামের বিস্তারিত আলোচনা (বাংলা ব্লগ)ভূমিকাবালি দেখতে সাধারণ হলেও নির্মাণকাজে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের ফাউন্ডেশন, আরসিসি, প্লাস্টার, টাইল বসানো—সব ক্ষেত্রেই বালির মান ভবনের শক্তি ও স্থায়িত্ব নির্ধারণ করে। পশ্চিমবঙ্গে সাধারণত দুই ধরনের বালি বেশি ব্যবহৃত হয়—লাল বালি ও সাদা বালি। এই ব্লগে পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে লাল ও সাদা বালির উৎস
পশ্চিমবঙ্গে লাল বালি ও সাদা বালি গুণগত পার্থক্য, ব্যবহার ও দামের বিস্তারিত আলোচনা (বাংলা ব্লগ) ভূমিকা বালি দেখতে সাধারণ হলেও নির্মাণকাজে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের ফাউন্ডেশন, আরসিসি, প্লাস্টার, টাইল বসানো—সব ক্ষেত্রেই বালির মান ভবনের শক্তি ও স্থায়িত্ব নির্ধারণ করে। পশ্চিমবঙ্গে সাধারণত দুই ধরনের বালি বেশি ব্যবহৃত হয়—লাল বালি ও সাদা বালি। এই ব্লগে পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে লাল ও সাদা বালির উৎস, গুণগত পার্থক্য, ব্যবহার, দাম, কেনার আগে কী দেখবেন—সব কিছু সহজ বাংলায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো। লাল বালি কী? পশ্চিমবঙ্গে লাল বালি বলতে সাধারণত বোঝানো হয়— ল্যাটারাইট অঞ্চল (ব্যাঙ্কুরা, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর) থেকে পাওয়া লালচে বালি বা মাটি, কিছু নদীর তলদেশের আয়রন-সমৃদ্ধ বালি, স্থানীয় খননকৃত লালচে রঙের বালি, যেখানে আয়রন অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। লাল বালির বৈশিষ্ট্য রং: লাল বা লালচে বাদামি গঠন: অনেক সময় সিল্ট ও কাদার পরিমাণ বেশি থাকে আর্দ্রতা ধারণ: পানি ধরে রাখার ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি কাজের সুবিধা: ইটের কাজে ধরন ভালো, তবে অতিরিক্ত কাদা থাকলে সমস্যা হয় লাল বালির ব্যবহার ইটের...