শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান ও নাক দিয়ে শ্বাসবাংলা – পার্ট ২ (গভীর ব্যাখ্যা ও ব্যবহারিক বিশ্লেষণ)ইমিউনিটি ও স্ট্রেসের সম্পর্কইমিউনিটির ক্ষেত্রে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত বিষয় হলো স্ট্রেস (মানসিক ও শারীরিক চাপ)।দীর্ঘদিনের স্ট্রেস হলে—রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়শরীরে প্রদাহ বাড়েঘুমের সমস্যা হয়কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায়কিন্তু ঠান্ডা জলে স্নান করলে
❄️ শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান ও নাক দিয়ে শ্বাস বাংলা – পার্ট ২ (গভীর ব্যাখ্যা ও ব্যবহারিক বিশ্লেষণ) ইমিউনিটি ও স্ট্রেসের সম্পর্ক ইমিউনিটির ক্ষেত্রে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত বিষয় হলো স্ট্রেস (মানসিক ও শারীরিক চাপ)। দীর্ঘদিনের স্ট্রেস হলে— রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় শরীরে প্রদাহ বাড়ে ঘুমের সমস্যা হয় কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায় কিন্তু ঠান্ডা জলে স্নান করলে যে স্ট্রেস তৈরি হয়, তা সাধারণত— 👉 স্বল্পমেয়াদি ও নিয়ন্ত্রিত স্ট্রেস এই ধরনের স্ট্রেস— শরীরকে মানিয়ে নিতে শেখায় স্নায়ুতন্ত্রকে শক্তিশালী করে চাপ সামলানোর ক্ষমতা বাড়ায় এই কারণেই অনেক সময় ঠান্ডা জলে স্নানকে ইমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System) ও ঠান্ডা জলের প্রভাব ঠান্ডা জল শরীরের অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে। প্রথমে— শরীর সতর্ক অবস্থায় যায় পরে— শরীর আবার শান্ত অবস্থায় ফিরে আসে নিয়মিত ও নিরাপদ অভ্যাসে— শরীর দ্রুত শান্ত হতে শেখে হৃদস্পন্দনের ভারসাম্য উন্নত হয় মানসিক স্থিতিশীলতা বাড়ে একটি সুস্থ স্নায়ুতন্ত্র— ভালো ঘুম ভালো হজম শক্তিশালী ইমিউন সিগন্যাল নিশ্চিত করতে...