বাংলা ব্লগ – পার্ট ৫ (একটানা লেখা, চূড়ান্ত)নীরবতার সবচেয়ে বড় ভুল ব্যাখ্যাটি হলো—একে উদাসীনতা বলে মনে করা। মানুষ ভাবে, যে চুপ থাকে সে অনুভব করে না। বাস্তবে নীরব মানুষ প্রায়ই বেশি অনুভব করে। সে শব্দ, আচরণ, দৃষ্টি—সবকিছুর ভেতরের কম্পন টের পায়। এই অতিরিক্ত সংবেদনশীলতার কারণেই সে নিজেকে শব্দের ভিড় থেকে সরিয়ে নেয়। চুপ থাকা এখানে দুর্বলতা নয়, ভারসাম্য।নীরব মানুষের ভেতরে আবেগ জমে না; পরিশ্রুত হয়। সে জানে কখন আবেগ প্রকাশ করলে তা অর্থবহ হয়, আর কখন চুপ থাকাই সম্মানজনক। এই বোধ সবাই পায় না। যারা পায় না, তারা নীরবতাকে সন্দেহ করে।
🟦 বাংলা ব্লগ – পার্ট ৫ (একটানা লেখা, চূড়ান্ত) নীরবতার সবচেয়ে বড় ভুল ব্যাখ্যাটি হলো—একে উদাসীনতা বলে মনে করা। মানুষ ভাবে, যে চুপ থাকে সে অনুভব করে না। বাস্তবে নীরব মানুষ প্রায়ই বেশি অনুভব করে। সে শব্দ, আচরণ, দৃষ্টি—সবকিছুর ভেতরের কম্পন টের পায়। এই অতিরিক্ত সংবেদনশীলতার কারণেই সে নিজেকে শব্দের ভিড় থেকে সরিয়ে নেয়। চুপ থাকা এখানে দুর্বলতা নয়, ভারসাম্য। নীরব মানুষের ভেতরে আবেগ জমে না; পরিশ্রুত হয়। সে জানে কখন আবেগ প্রকাশ করলে তা অর্থবহ হয়, আর কখন চুপ থাকাই সম্মানজনক। এই বোধ সবাই পায় না। যারা পায় না, তারা নীরবতাকে সন্দেহ করে। বারবার নিজের চুপ থাকাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মানুষ একসময় থেমে যায়। এই থামাটাই মুক্তি। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন থাকে না। মানুষ নিজের সঙ্গে সমঝোতায় আসে। এই সমঝোতাই শান্তি। নীরবতাকে গ্রহণ করা মানে নিজের প্রকৃতিকে গ্রহণ করা। এতে সাহস লাগে। কারণ সমাজ এখনও চেঁচানো কণ্ঠকে শক্তি মনে করে। কিন্তু প্রকৃত শক্তি আসে স্থিরতা থেকে। স্থির মানুষ সহজে ভাঙে না। সমাজ যদি নিজের দিকে তাকায়, তবে বুঝবে—সব শব্দ প্রয়োজনীয় নয়। কিছু নীরবতা জরুরি। এই নীরবতাই গভী...