মূল কবিতা – বাংলা (বিস্তৃত রূপ)এক দিন মাটির ভিতরে হবে ঘর,সেদিন হবেনা সন্ধ্যা-ভোর।না থাকবে আলো, না থাকবে ছায়াNo kin, no stranger by our side,No bonds, no pride we once held wide.No party, flag, or chosen name,All power, ego, end the same.मिट्टी के घर में सब समान,राजा-रंक का एक निशान।जीवन के सारे लेखे-जोखे,ख़ामोशी बने अंतिम धोखे
🕯️ শিরোনাম (Title)
মাটির ঘরে নীরবতা
(Silence in the House of Earth / मिट्टी के घर की ख़ामोशी)
🌿 মূল কবিতা – বাংলা (বিস্তৃত রূপ)
এক দিন মাটির ভিতরে হবে ঘর,
সেদিন হবেনা সন্ধ্যা-ভোর।
না থাকবে আলো, না থাকবে ছায়া,
নিভে যাবে জীবনের সব মায়া।
না থাকবে আপন, না থাকবে পর,
ভাঙবে সেদিন সম্পর্কের জোর।
না থাকবে কোন দল, কোন পরিচয়,
মুছে যাবে অহংকার, নামের মোহ।
যে হাতে ধরেছিলাম হাজার হাত,
সেই হাতই থাকবে আজ নীরব, একাকী রাত।
যে কণ্ঠে ছিল দাবি, ছিল রাগ,
সেই কণ্ঠে আজ নেমে আসবে নিস্তব্ধতা আর ধুলোর ভাগ।
মাটির ঘরে সবাই সমান,
রাজা-ভিখারি—একই নাম।
জীবনের সব হিসাব শেষে,
নীরবতাই শেষ ঠিকানা, শেষ বেশে।
🌍 Poem in English
Silence Beneath the Earth
One day, a home will form beneath the ground,
No dawn will rise, no dusk be found.
No light, no shadow, none will stay,
All worldly illusions fade away.
No kin, no stranger by our side,
No bonds, no pride we once held wide.
No party, flag, or chosen name,
All power, ego, end the same.
The hands that held so many tight,
Now rest alone in endless night.
The voice that shouted claims so loud,
Falls silent, lost within the crowd.
Beneath the soil, all stand as one,
King and beggar—when life is done.
When every debt of breath is paid,
Silence remains—the final shade.
🌸 हिंदी कविता
मिट्टी के घर की ख़ामोशी
एक दिन मिट्टी में होगा घर,
न होगी सुबह, न होगी सहर।
न उजाला रहेगा, न परछाईं,
मिट जाएगी जीवन की सारी सच्चाई।
न अपना होगा, न कोई गैर,
टूट जाएंगे रिश्तों के फेर।
न दल रहेगा, न पहचान,
अहंकार खो देगा अपना नाम।
जिन हाथों ने थामे थे कई हाथ,
वे सो जाएंगे अब अकेली रात।
जिस स्वर में था घमंड का शोर,
वह स्वर खो जाएगा मिट्टी की ओर।
मिट्टी के घर में सब समान,
राजा-रंक का एक निशान।
जीवन के सारे लेखे-जोखे,
ख़ामोशी बने अंतिम धोखे।
🧠 Analysis & Philosophy (দর্শন ও বিশ্লেষণ)
এই কবিতার মূল দর্শন হলো মৃত্যুর সমতা ও জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব।
মানুষ জীবিত অবস্থায় নিজেকে পরিচয়ে বেঁধে রাখে—
আপন ও পর
দল ও মত
ক্ষমতা ও অহংকার
কিন্তু মৃত্যু সেই সব বিভাজনকে অস্বীকার করে।
🔹 ১. মাটির ঘর = চূড়ান্ত সত্য
“মাটির ভিতরে হবে ঘর”—
এটি কবর নয় শুধু, এটি অহংকারের সমাধি।
মানুষ যে নিজেকে আলাদা ভাবে, সেই বিভ্রম এখানেই শেষ।
🔹 ২. না সন্ধ্যা, না ভোর
সময় জীবনের জন্য, মৃত্যুর জন্য নয়।
মৃত্যু মানে সময়ের অনুপস্থিতি—
যেখানে অপেক্ষা নেই, ব্যস্ততা নেই।
🔹 ৩. না থাকবে আপন, না থাকবে দল
এই লাইনটি গভীর সামাজিক দর্শন বহন করে।
মানুষ যে সম্পর্ক, রাজনীতি, দলাদলি নিয়ে বাঁচে—
সবই শ্বাসের সঙ্গে বাঁধা।
শ্বাস থামলেই সব থামে।
🔹 ৪. সমতার চূড়ান্ত রূপ
মৃত্যুই একমাত্র স্থান
যেখানে
👉 ধনী–গরিব
👉 শক্তিশালী–দুর্বল
👉 নেতা–অনুগত
সবাই সমান।
🔹 ৫. নীরবতাই শেষ ঠিকানা
শেষে কোনো ভাষণ নেই,
কোনো ব্যাখ্যা নেই,
শুধু নীরবতা
Written with AI
Comments
Post a Comment