যে শব্দ আমাকে ডাকল, যে কণ্ঠ আমাকে থামালআকর্ষণ, সন্দেহ ও অজানার এক ভূতুড়ে ধ্যানব্লগ – পার্ট ১ভূমিকা: যখন শব্দ আত্মার আগে হাঁটেসব নীরবতা ফাঁকা নয়।কিছু নীরবতা শ্বাস নেয়।কিছু নীরবতা শোনে।আর কোনো কোনো রাতে—নীরবতা নূপুর পরে হাঁটে।পায়ের নূপুর অনুমতি চায় না।সে মনে ঢুকে পড়ে, স্মৃতি আর কল্পনার অলিন্দে ঘুরে বেড়ায়।মুখ দেখার আগেই, নাম জানার আগেই, মন বিশ্বাস করে ফেলে।তারপর আসে কণ্ঠ।
যে শব্দ আমাকে ডাকল, যে কণ্ঠ আমাকে থামাল
আকর্ষণ, সন্দেহ ও অজানার এক ভূতুড়ে ধ্যান
ব্লগ – পার্ট ১
ভূমিকা: যখন শব্দ আত্মার আগে হাঁটে
সব নীরবতা ফাঁকা নয়।
কিছু নীরবতা শ্বাস নেয়।
কিছু নীরবতা শোনে।
আর কোনো কোনো রাতে—
নীরবতা নূপুর পরে হাঁটে।
পায়ের নূপুর অনুমতি চায় না।
সে মনে ঢুকে পড়ে, স্মৃতি আর কল্পনার অলিন্দে ঘুরে বেড়ায়।
মুখ দেখার আগেই, নাম জানার আগেই, মন বিশ্বাস করে ফেলে।
তারপর আসে কণ্ঠ।
আর মন থেমে যায়।
এটা কেবল প্রেমের গল্প নয়।
এটা এক আকর্ষণের ভূতুড়ে গল্প,
যেখানে ভূত মৃত নয়—
সে কেবল অজানা।
শব্দের নিষ্ঠুরতা
শব্দ আগে আসে, পরিচয় পরে।
অন্ধকারে শব্দই রূপ নেয়।
রূপই ইচ্ছা হয়।
ইচ্ছাই সত্য বলে ভুল হয়।
নূপুর আমাকে দেখায়নি তুমি কে।
নূপুর দেখিয়েছিল—আমি তোমাকে কী হতে চাই।
এইটাই জীবনের প্রথম ভূত—
সত্য আসার আগে যে কল্পনা জন্মায়।
ভূত ভয় দেখিয়ে আসে না।
ভূত আসে আমন্ত্রণ হয়ে।
ব্লগ – পার্ট ২
নীরবতার মোহ
নীরবতা কখনও নিরপেক্ষ নয়।
সে হয় শান্তি, নয় প্রস্তুতি।
তোমার নীরবতা ছিল সুরেলা।
সে আমাকে ভাবতে দিয়েছে—
তুমি নিজে না বলেও।
কল্পনা প্রশ্ন করে না।
সে শুধু টানে।
এই কারণেই ভূতের গল্পে ভূত চিৎকার করে না—
সে ধীরে হাঁটে,
ডাকে না,
তবু অনুসরণ করায়।
আকর্ষণও ঠিক তাই।
কণ্ঠ কেন সব বদলে দেয়
তারপর তুমি বললে।
আর বাতাস বদলে গেল।
তোমার কণ্ঠে ছিল ওজন।
ছিল উদ্দেশ্য।
ছিল বাস্তব।
শব্দ বিমূর্ত।
কণ্ঠ নির্দিষ্ট।
নূপুরে স্বপ্ন ছিল।
কণ্ঠে সত্য।
আর সত্য প্রশ্ন তোলে।
এই জন্যই আমি থেমে গেলাম।
ব্লগ – পার্ট ৩
মনস্তাত্ত্বিক ভূত: না জেনে চাওয়া
মানুষ অজানাকে ভয় পায়—
এ কথা পুরো সত্য নয়।
আমরা ভয় পাই তখন,
যখন অন্ধভাবে চাওয়ার পর
হঠাৎ সত্য সামনে আসে।
তোমার কণ্ঠের আগে আমি সাহসী ছিলাম।
পরে আমি সতর্ক হলাম।
কারণ তুমি বাস্তব হয়ে উঠলে।
বাস্তব মানুষ আঘাত করতে পারে।
বাস্তব মানুষ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
বাস্তব মানুষ ভেঙে দিতে পারে।
ভূত নিরাপদ।
কারণ সে প্রত্যাশার সঙ্গে তর্ক করে না।
“তুমি কে?”—এই প্রশ্নের প্রতিধ্বনি
এই প্রশ্নটা আসলে তোমাকে নয়।
এই প্রশ্নটা আমাকে।
আমি কে,
যে শব্দের পেছনে হাঁটছিলাম?
আমি কে,
যে সুরকে সত্য ভেবেছিলাম?
ভূতের গল্পে ভয়ংকর মুহূর্ত হলো
যখন ভূত কথা বলে।
কারণ কথা অস্পষ্টতা মেরে ফেলে।
আর অস্পষ্টতাতেই আকর্ষণ বাঁচে।
ব্লগ – পার্ট ৪
রাত: সবচেয়ে সৎ স্বীকারোক্তিকারী
দিনে আমরা নিজেকে ব্যাখ্যা করি।
রাতে আমরা নিজেকে প্রকাশ করি।
নূপুর যখন বাজল,
রাত আমার আকাঙ্ক্ষা শুনল।
কণ্ঠ যখন এলো,
রাত আমার সন্দেহ দেখল।
আমি ভয় পেয়েছিলাম তুমি কাছে এলে—
না।
আমি ভয় পেয়েছিলাম
আমি যদি এগিয়ে যাই।
রাত আমাদের আকর্ষণের দিকটা দেখায়।
রহস্য কেন সত্যের চেয়ে আরামদায়ক
রহস্য নমনীয়।
সত্য ধারালো।
শব্দ থাকলে তুমি সব হতে পারো।
কণ্ঠ এলে সীমা আসে।
এই কারণেই মানুষ
না-পাওয়া প্রেমে বেশি আটকে থাকে।
ভূত আরাম দেয়,
কারণ সে প্রত্যাশা ভাঙে না।
থেমে যাওয়ার সাহস
সব গল্প অনুসরণের প্রশংসা করে।
খুব কম গল্প থামার প্রশংসা করে।
কিন্তু থামাই সবচেয়ে বড় সাহস।
নূপুর অনুসরণ করা সহজ।
সন্দেহ মানা কঠিন।
সেই রাতে ফিরে আসা কাপুরুষতা ছিল না।
সেটা ছিল পরিচয়।
যা রয়ে গেল
নূপুর থেমে গেল।
চুড়ি নীরব হলো।
রাত আবার নিঃশব্দ।
কিন্তু কিছু রয়ে গেল।
ভয় নয়।
অনুতাপ নয়।
সচেতনতা।
সব প্রশ্নের উত্তর দরকার নেই।
কিছু প্রশ্ন পাহারা দেয়।
“তুমি কে?”
দাবিত্যাগ (Disclaimer)
এই লেখা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক ও প্রতীকী।
ভূতুড়ে উপাদান মানসিক ও দার্শনিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত।
এটি কুসংস্কার বা অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস প্রচার করে না।
🌘 written with AI
Comments
Post a Comment