বাংলা – পার্ট ২যত্ন আর নিয়ন্ত্রণের মাঝের সূক্ষ্ম রেখাএই কবিতার সবচেয়ে অস্বস্তিকর সত্যগুলোর একটি হলো—যত্ন কত সহজেই নিয়ন্ত্রণে পরিণত হয়।বক্তার কাজটি ছিল দায়িত্বশীল। ধোঁয়া বেরোতে হতো, আগুনের বাতাস দরকার ছিল। এটি অবহেলা নয়, বরং সচেতনতা। কিন্তু সেই সচেতনতাকেই ভুলভাবে পড়ে নেওয়া হয়েছিল।মানুষের জীবনে এই চিত্র বারবার ফিরে আসে।ভালোবাসার নামে অতিরিক্ত আগলে রাখা,নিরাপত্তার নামে অতিরিক্ত শাসন,দক্ষতার নামে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ।এই কবিতা মনে করিয়ে দেয়—যত্নের ছদ্মবেশে থাকা নিয়ন্ত্রণও নিয়ন্ত্রণই।
বাংলা – পার্ট ২
যত্ন আর নিয়ন্ত্রণের মাঝের সূক্ষ্ম রেখা
এই কবিতার সবচেয়ে অস্বস্তিকর সত্যগুলোর একটি হলো—
যত্ন কত সহজেই নিয়ন্ত্রণে পরিণত হয়।
বক্তার কাজটি ছিল দায়িত্বশীল। ধোঁয়া বেরোতে হতো, আগুনের বাতাস দরকার ছিল। এটি অবহেলা নয়, বরং সচেতনতা। কিন্তু সেই সচেতনতাকেই ভুলভাবে পড়ে নেওয়া হয়েছিল।
মানুষের জীবনে এই চিত্র বারবার ফিরে আসে।
ভালোবাসার নামে অতিরিক্ত আগলে রাখা,
নিরাপত্তার নামে অতিরিক্ত শাসন,
দক্ষতার নামে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ।
এই কবিতা মনে করিয়ে দেয়—
যত্নের ছদ্মবেশে থাকা নিয়ন্ত্রণও নিয়ন্ত্রণই।
“যথেষ্ট” শব্দটা মানুষের কাছে কেন কঠিন
মানুষের মনস্তত্ত্বে “যথেষ্ট” একটি অস্থির ধারণা।
অল্প মানে ভয়,
আর বেশি মানে নিরাপত্তা।
এই ভয় থেকেই মানুষ সীমা ছাড়ায়।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি যোগ করে,
যেখানে থামা উচিত, সেখানে এগিয়ে যায়।
এই কবিতায় আগুন বেড়েছে প্রয়োজনের কারণে নয়,
বরং থামতে অস্বস্তি লাগছিল বলে।
এই দুর্বলতা কোনো দানবীয় প্রবৃত্তি নয়—
এটি মানুষের খুব পরিচিত একটি ত্রুটি।
অভ্যন্তরীণ সংযম ছাড়া ক্ষমতা
ক্ষমতা নিজে খারাপ নয়।
আগুনও নিজে খারাপ নয়।
সমস্যা শুরু হয় যখন ভেতরের সংযম থাকে না।
ভেতরের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে, ছোট অনুমতিও দখলের রূপ নেয়,
সীমিত ভূমিকা অত্যাচারে পরিণত হয়,
সহায়তার সুযোগ আধিপত্যে বদলে যায়।
এই কবিতা বলে—
ক্ষমতা মানুষকে বদলে দেয় না,
ক্ষমতা মানুষকে উন্মোচিত করে।
নীরবতা একটি নৈতিক ভাষা
এই কবিতায় নীরবতার ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে কোনো চিৎকার নেই,
কোনো সতর্ক ঘণ্টা নেই।
শুধু একটি “নীরব ইশারা”।
জীবনের বহু সীমা এভাবেই কাজ করে—
স্পষ্ট করে বলা হয় না,
কিন্তু বোঝা উচিত হয়।
যারা দায়িত্ব বোঝে,
তাদের চিৎকারের দরকার হয় না।
এই কবিতার ট্র্যাজেডি অজ্ঞতা নয়—
এটি শোনা না চাওয়ার ব্যর্থতা।
ছাই: শেষ অবস্থা
ছাই শুধু ধ্বংস নয়,
ছাই মানে আর ফিরে না আসা।
যা ছাই হয়ে যায়,
তা আগের মতো হয় না।
ক্ষমা তাকে ফিরিয়ে আনে না,
ব্যাখ্যা তাকে জাগায় না।
এই কবিতা তাই রাগে শেষ হয় না,
শূন্যতায় শেষ হয়।
কারণ কিছু ভুল
দ্বিতীয় সুযোগ দেয় না।
পাঠকের জন্য নীরব সতর্কবার্তা
এই কবিতা পাঠককে আগুন ভয় করতে বলে না।
এটি বলে অপরীক্ষিত ক্ষমতাকে ভয় করতে।
আরও আগুন যোগ করার আগে,
নিজেকে একবার জিজ্ঞেস করতে বলে—
আমি কি প্রয়োজনের বাইরে যাচ্ছি?
আমি কি সীমা অতিক্রম করছি?
আমি কি যত্ন দিচ্ছি, না নিয়ন্ত্রণ করছি?
কারণ সংযম হারালে,
উদ্দেশ্য আর কোনো গুরুত্ব রাখে না।
আর যখন সবকিছু ছাই হয়ে যায়,
তখন জ্ঞানও কিছু রক্ষা করতে পারে না।
Written with AI
Comments
Post a Comment