যে শব্দ আমাকে ডাকল, যে কণ্ঠ আমাকে থামালআকর্ষণ, স্মৃতি ও সচেতনতার ভূতুড়ে যাত্রাব্লগ – পার্ট ৫শব্দের পরে যা থাকে: আকর্ষণের অবশিষ্টশব্দ চলে গেলেও সব শেষ হয় না।যা থাকে, তা সুর নয়—তা থাকে ছাপ।আকর্ষণ স্মৃতিতে দাগ কাটে।হাত সরে গেলেও উষ্ণতা থেকে যায়—ঠিক তেমনই নূপুর থামলেওতার প্রতিধ্বনি মনের অলিন্দে ঘুরে বেড়ায়।আমি বারবার শুনেছি সেই শব্দ—নিজের ভেতরে।বাইরের রাত নীরব ছিল,
যে শব্দ আমাকে ডাকল, যে কণ্ঠ আমাকে থামাল
আকর্ষণ, স্মৃতি ও সচেতনতার ভূতুড়ে যাত্রা
ব্লগ – পার্ট ৫
শব্দের পরে যা থাকে: আকর্ষণের অবশিষ্ট
শব্দ চলে গেলেও সব শেষ হয় না।
যা থাকে, তা সুর নয়—
তা থাকে ছাপ।
আকর্ষণ স্মৃতিতে দাগ কাটে।
হাত সরে গেলেও উষ্ণতা থেকে যায়—
ঠিক তেমনই নূপুর থামলেও
তার প্রতিধ্বনি মনের অলিন্দে ঘুরে বেড়ায়।
আমি বারবার শুনেছি সেই শব্দ—
নিজের ভেতরে।
বাইরের রাত নীরব ছিল,
কিন্তু ভেতরের রাত নয়।
এইভাবেই আকর্ষণ বাস্তবতা পেরিয়ে
স্মৃতিতে বাসা বাঁধে।
কেন আমরা হারানো শব্দ আবার শুনি
হঠাৎ থেমে যাওয়া মানতে মন চায় না।
অপূর্ণতা কল্পনাকে কাজ দেয়।
হয়তো তুমি নিরাপদ ছিলে।
হয়তো বিপজ্জনক।
হয়তো কিছুই না।
সত্য না থাকলে কল্পনা সম্পাদনা করে নেয়।
এটা দুর্বলতা নয়।
এটা শূন্যতার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা।
নীরবতার চেয়ে
অমীমাংসিত স্মৃতি অনেক সময় আরামদায়ক।
অসমাপ্ত সাক্ষাৎ
কিছু সাক্ষাৎ শেষ হওয়ার জন্য নয়—
থামানোর জন্য।
তোমার উপস্থিতি নিশ্চিততাকে থামাল।
তোমার কণ্ঠ কল্পনাকে থামাল।
জীবন উত্তর দিয়ে শেখায় না।
জীবন বিরতিতে শেখায়।
ব্লগ – পার্ট ৬
ভয়: কাপুরুষতা নয়, উত্তরাধিকার
ভয়কে আমরা দুর্বলতা বলি।
কিন্তু ভয় সাহসের চেয়েও পুরনো।
ভয় আমাদের বাঁচিয়েছে—
ভালবাসা শেখানোর অনেক আগেই।
তোমার কণ্ঠে যে দ্বিধা জন্মাল,
তা পালানোর নির্দেশ ছিল না।
তা ছিল অপেক্ষা।
এই অপেক্ষাই আমাকে
অজানার কাছে আত্মসমর্পণ থেকে বাঁচাল।
যখন আকর্ষণ বিপজ্জনক হয়
আকর্ষণ বিপজ্জনক হয়
যখন সে প্রশ্ন করতে শেখে না।
নূপুর ডাকল।
চুড়ি বোঝাল।
কণ্ঠ প্রশ্ন তুলল।
আর প্রশ্নই হলো
মোহ আর বিপদের মাঝের সীমারেখা।
ভূতের গল্পে যারা বাঁচে,
তারা সবচেয়ে সাহসী নয়—
তারা সবচেয়ে মনোযোগী।
ডাকের বাইরে শোনা
শোনা দুই রকম—
যা আনন্দ দেয়
যা সতর্ক করে
প্রথমটা সবাই পারে।
দ্বিতীয়টা মানতে পারে কম মানুষ।
তোমার কণ্ঠ হুমকি দেয়নি।
সে গভীরতা দেখিয়েছে।
আর গভীরতা মানে প্রস্তুতি।
ব্লগ – পার্ট ৭
তুমি আসলে কে ছিলে?
আমি বহুবার প্রশ্নটা করেছি।
এখন উত্তর বদলেছে।
তুমি ভূত ছিলে না।
তুমি আশ্রয়ও ছিলে না।
তুমি বিপদও ছিলে না।
তুমি ছিলে এক সীমা।
যেখানে যাচাই হতো—
আমি অন্ধভাবে হাঁটব,
না সচেতনভাবে থামব।
আসল পরিচয়
আজ যদি নাম দিতেই হয়,
আমি বলব—
তুমি ছিলে আমার সেই অংশ,
যে জানতে চাওয়ার আগেই চাইতে চায়।
আর যখন সচেতনতা এলো,
চাওয়া সরে গেল।
এটাই বড় হওয়া।
রহস্যের কাজ শেষ হলে
রহস্য সমাধানের জন্য আসে না।
রহস্য গড়ে তোলার জন্য আসে।
কাজ শেষ হলে
সে মিলিয়ে যায়।
নূপুর আর বাজে না।
চুড়ি আর কথা বলে না।
কিন্তু শিক্ষা থেকে যায়।
ব্লগ – পার্ট ৮ (সমাপ্তির পথে)
অনুতাপ ছাড়া ফিরে আসা
আমি ফিরেছিলাম ভয় পেয়ে নয়।
আমি ফিরেছিলাম বুঝে।
সব জানা জরুরি নয়।
ঠিক দিকে থাকা জরুরি।
সেই রাতে
আমি তোমার দিকে নয়—
নিজের দিকে ফিরেছিলাম।
শেষ প্রতিফলন: শব্দ ও নীরবতা
শব্দ আমাকে আকর্ষণ শিখিয়েছে।
নীরবতা আমাকে বিচার শিখিয়েছে।
এই দুয়ের মাঝখানে
আমি নির্বাচন শিখেছি।
সব ডাকের জবাব দিতে নেই।
সব রহস্যের পেছনে হাঁটতে নেই।
কিছু রহস্য শোনা যায়—
তারপর ছেড়ে দিতে হয়।
দাবিত্যাগ (Final Disclaimer)
এই লেখা সম্পূর্ণ সাহিত্যিক, প্রতীকী ও মনস্তাত্ত্বিক।
ভূতুড়ে আবহ মানবিক আবেগ ও সচেতনতার রূপক মাত্র।
এটি কুসংস্কার বা অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস সমর্থন করে না।
Written with AI
Comments
Post a Comment