যখন ভয় কথা বলতে শেখে(বাংলা : পার্ট–২)নতুন দরজাটা খুলে যায়আলোর মধ্য দিয়ে।চাঁদের আলো নয়,লণ্ঠনের আলো নয়—হাতের তালুতে ধরাএকটা ছোট স্ক্রিনের আলো।
🌘 যখন ভয় কথা বলতে শেখে
(বাংলা : পার্ট–২)
নতুন দরজাটা খুলে যায়
আলোর মধ্য দিয়ে।
চাঁদের আলো নয়,
লণ্ঠনের আলো নয়—
হাতের তালুতে ধরা
একটা ছোট স্ক্রিনের আলো।
এই আলো প্রশ্ন করে না,
চিৎকার করে না,
শুধু দেখে।
আর দেখাই কখনো কখনো
ভয়ের সবচেয়ে পুরোনো রূপ।
হঠাৎ মনে হয়—
এই তো সেই অনুভূতি,
যা একদিন
আমবাগানে দাঁড়িয়ে
নাম খুঁজছিল।
ভয় জেগে ওঠে,
দৌড়ায় না,
লুকোয় না,
শুধু চুপচাপ জিজ্ঞেস করে—
“তুমি কি আপন?”
না কোনো কিচেন দাঁড়িয়ে আছে,
না কোনো ছায়া পেছনে হাঁটে।
শুধু স্মৃতি
বর্তমানের মুখোমুখি হয়ে
এক মুহূর্ত থমকে যায়।
ভয় আসলে বাইরে থেকে আসে না।
ভয় আসে
নিজেকে চিনে ফেলার আগেই
চিনে ফেলা থেকে।
যখন বোঝা যায়,
এই আলোও শত্রু নয়,
এই প্রশ্নও হুমকি নয়—
তখন ভয়ের নামটা
ধীরে ধীরে
ঝরে পড়ে।
কিচেনে আর থাকে না।
থাকে শুধু
একটা পুরোনো অনুভূতি,
যাকে এখন
বোঝা যায়।
Comments
Post a Comment