বাংলা – চূড়ান্ত অংশআসল আগুন হলো দায়িত্বএই লেখার শেষে এসে স্পষ্ট হয়ে যায়—কবিতার কেন্দ্রে আগুন নয়,দায়িত্বই আসল শক্তি।আগুন শুধু প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলে।কতদূর সে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত মানুষই নেয়।এই ট্র্যাজেডি ঘটেনি কারণ আগুন বিপজ্জনক ছিলl,
বাংলা – চূড়ান্ত অংশ
আসল আগুন হলো দায়িত্ব
এই লেখার শেষে এসে স্পষ্ট হয়ে যায়—
কবিতার কেন্দ্রে আগুন নয়,
দায়িত্বই আসল শক্তি।
আগুন শুধু প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলে।
কতদূর সে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত মানুষই নেয়।
এই ট্র্যাজেডি ঘটেনি কারণ আগুন বিপজ্জনক ছিল,
বরং ঘটেছে কারণ শক্তিকে ব্যবহার করা হয়েছিল
ভেতরের সংযম ছাড়া।
এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি—
শক্তি সরিয়ে দিলে ধ্বংস থামে না,
ধ্বংস থামে যখন মানুষ পরিণত হয়।
সীমা অগ্রাহ্য করার মূল্য
প্রতিটি ভাঙা সম্পর্ক,
প্রতিটি ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান,
প্রতিটি ধসে পড়া সমাজের পেছনে
একটি পরিচিত চিত্র থাকে—
সীমা জানা ছিল, তবু উপেক্ষা করা হয়েছে,
ইশারা ছিল নীরব, তবু শোনা হয়নি,
থামার চেয়ে এগিয়ে যাওয়াই সহজ মনে হয়েছে।
এই কবিতা সেই মুহূর্তটাকেই ধরেছে
যেখানে এগিয়ে যাওয়া আর দায়িত্ব নয়—
অবহেলা হয়ে ওঠে।
আর সেই সীমা পেরোনোর পর,
পরিণতি আর দর কষাকষি করে না।
অনুশোচনা কেন দেরিতে আসে
এই কবিতার সবচেয়ে বেদনাদায়ক সত্যগুলোর একটি হলো
অনুশোচনার ভূমিকা।
অনুশোচনা আসে
আগুন নিভে যাওয়ার পরে,
ছাই জমে যাওয়ার পরে,
সব শেষ হয়ে যাওয়ার পরে।
এই কারণেই কবিতা কোনো মুক্তির গল্প বলে না।
সব গল্প মুক্তি দেয় না।
কিছু লেখা থাকে শুধুই সতর্ক করার জন্য—
সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য নয়।
এই কবিতা বলে—
জ্ঞান মানে অনুশোচনা শেখা নয়,
জ্ঞান মানে অনুশোচনার প্রয়োজন না হওয়া।
এই কবিতা আমাদের কাছে কী চায়
এই লেখা পূর্ণতা দাবি করে না।
এটি চায় সচেতনতা।
কিছু করার আগে থেমে একবার ভাবতে বলে—
আমি কি প্রয়োজনে কাজ করছি,
না কি ভয়ের বশে?
আমি কি রক্ষা করছি,
না কি নিয়ন্ত্রণ করছি?
আমি কি উদ্দেশ্যের ভেতরে আছি,
না কি ক্ষমতা প্রমাণ করছি?
এই প্রশ্নগুলো অস্বস্তিকর,
কারণ এগুলো আমাদের ধীর করে দেয়।
কিন্তু অনেক সময়
ধীরে চলাই একমাত্র উপায়
যাতে আর কিছু ছাই না হয়।
শেষ প্রতিফলন
এই কবিতা হইচই করে শেষ হয় না।
এটি নীরবতায় থামে।
কোনো অভিযোগ থাকে না,
কোনো তর্ক বেঁচে থাকে না,
শুধু থাকে ছাই—
আর এই উপলব্ধি যে
কিছু মূল্যবান জিনিস নষ্ট হয়েছে
নিষ্ঠুরতায় নয়,
অতিরিক্ততায়।
সম্ভবত এটাই সবচেয়ে অস্বস্তিকর সত্য—
অধিকাংশ ধ্বংস জন্ম নেয়
ঘৃণা থেকে নয়,
অপরীক্ষিত উদ্দেশ্য থেকে।
যদি এই লেখা পাঠককে
ক্ষমতার প্রতি আরও সতর্ক,
সীমার প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল,
নীরবতার প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে,
তাহলেই এর সতর্কতা সার্থক।
কারণ যখন সবকিছু ছাই হয়ে যায়,
তখন অর্থও টিকে থাকতে লড়াই করে।
Written with AI
Comments
Post a Comment