চোখ: আমাদের শরীরের নীরব শক্তিপার্ট ৩: আধুনিক জীবন ও দৃষ্টিশক্তির নীরব ক্লান্তিএই ধরনের জীবনের জন্য চোখ তৈরি হয়নিমানব ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় চোখ প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করেছে।দূরের দিকেই চোখ বেশি তাকাত, কাছের দিকে নয়।সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে চোখ বিশ্রাম পেত।সূর্যোদয়–সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক ছন্দেই চলত দৃষ্টি।আধুনিক জীবন এই ভারসাম্য পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।
চোখ: আমাদের শরীরের নীরব শক্তি পার্ট ৩: আধুনিক জীবন ও দৃষ্টিশক্তির নীরব ক্লান্তি এই ধরনের জীবনের জন্য চোখ তৈরি হয়নি মানব ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় চোখ প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করেছে। দূরের দিকেই চোখ বেশি তাকাত, কাছের দিকে নয়। সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে চোখ বিশ্রাম পেত। সূর্যোদয়–সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক ছন্দেই চলত দৃষ্টি। আধুনিক জীবন এই ভারসাম্য পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। আজ চোখের বেশিরভাগ সময় কাটে— খুব কাছের দূরত্বে ফোকাস করে সমতল, উজ্জ্বল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ সময় কৃত্রিম আলোর নিচে স্বাভাবিক দৃষ্টিবিরতির সুযোগ ছাড়াই এই পরিবর্তন হঠাৎ হয়নি। আর ধীরে ধীরে হওয়াতেই এর ক্ষতি আমরা অনেক সময় টের পাই না। অবিরাম কাছের দিকে তাকানো: এক স্থায়ী টান দীর্ঘ সময় কাছের কোনো কিছুর দিকে তাকালে— চোখের ফোকাসিং পেশিগুলো সংকুচিত অবস্থায় থাকে স্বাভাবিক শিথিলতা বাধাগ্রস্ত হয় রক্তপ্রবাহের ধরণ সূক্ষ্মভাবে বদলে যায় ফলে তৈরি হয় দৃষ্টির দীর্ঘস্থায়ী চাপ। স্ক্রিন এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে, কারণ— দেখার দূরত্ব বদলায় না লেখা ও ছবি একই গভীরতায় থাকে পলক পড়ার হার কমে যায় আলোর তীব্রতা প্রায় একই থাকে চোখ কখনওই ঘণ্ট...